বিমান দুর্ঘটনার মতো সংবেদনশীল ঘটনার পর আহতদের অবস্থা, চিকিৎসা কিংবা তদন্ত নিয়ে নানা ধরনের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এসব তথ্যের অনেকগুলোই পরে ভুল বা অসম্পূর্ণ প্রমাণিত হয়। তাই এ ধরনের দাবিকে যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, পাইলটের শারীরিক অবস্থা এবং পরবর্তী তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য সাধারণত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, হাসপাতাল বা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনাসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে উদ্ধার কার্যক্রম,
তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সংশিষ্ট কর্তलाकर खानानिक जशा काशिण লেসোরেই পাইলটের नाममा এবং দাটিনা সংক্সায় সর্বশেঙ্গ সথা নিলিরে জানা अयन
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনাসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে উদ্ধার কার্যক্রম, তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হলে তবেই পাইলটের বর্তমান অবস্থা এবং দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।
<

Comments
Post a Comment