কিয়ার স্টারমার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে তিনি প্যালেস ত্যাগ করেন।
স্টারমারের বিদায়ের পর অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বাকিংহাম প্যালেসে পৌঁছান। সেখানে রাজা তাঁকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানান। সেই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বাকিংহাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে বার্নহ্যাম ১০ নম্বর ভাউনিং স্ট্রিটে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সেখানেই তিনি প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ বক্তব্যে কিয়ার স্টারমার তাঁর উত্তরসূরি বার্ন্যামের সফলতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আমি সৌজন্যের সঙ্গে, হাসিমুখে এবং আমাদের অর্জন নিয়ে গর্বিত অবস্থায় বিদায় নিচ্ছি।'
ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন সরকারের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, বার্নহ্যামের প্রথম ভাষণ শোনার জন্য তাঁর সমর্থকেরা ডাউনিং স্ট্রিটে জড়ো হয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় বিদায়ী সরকারের কতজন সদস্য থাকবেন, সেটি নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। বার্নহ্যামের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের চিফ অব স্টাফ কেডিন লি-কেও সেখানে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
ডাউনিং স্ট্রিটে ভাষণ দেওয়ার পর বার্নহ্যাম নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ শুরু করবেন। ইতিমধ্যে বিদায়ী সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম পর্যায়ক্রমে যোষণা করা হবে।
ব্রেক্সিট-পরবর্তী এক দশকে এটি যুক্তরাজ্যের আরেকটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে গত চার বছরে দেশটির পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী হলেন। বর্তমানে ডাউনিং স্ট্রিটে ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। নতুন সরকারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

Comments
Post a Comment