Skip to main content

কোন পজিশনে সবথেকে দ্রু'ত মেয়েদের অ'র্গাজম হয়.....

 কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গাজম হয়?

লেখাটি জানার জন্য পড়বেন। অশালীন কমেন্ট করবেন না






যৌন জীবনে একই রুটিন আরেক দিনে বোরিং হতে পারে! গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ দম্পতি বছরের পর বছর একই অবস্থাতেই আটকে থাকেন, কারণ নতুন কিছু করতে গেলে একটু অসুবিধা লাগে। একই পজিশনে বারবার মজে থাকা মানে প্লেটের একরকম খাবার খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে যাওয়া। তাই মাঝে মাঝে একটু নয়া অ্যাংগেল, 








বিভিন্ন পজিশনে সেক্সের উপকারিতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে মনোযোগ আর উত্তেজনা। একই পজিশনে আটকে থাকলে সম্পর্ক উন্মত্ততা হারায়, কিন্তু কিছু নাড়াচাড়া করলে মনের মধ্যে আগুন জ্বলে ওঠে। নতুন পজিশনে ট্রাই করলে শরীরের নতুন অংশ জুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়াতে থাকে, মনের মাঝে চলছে নতুন গেম! এই নিয়ম মেনে চললে সুখী দম্পতিরা স্পষ্ট অনুভব করে, রুটিন ছিন্ন হলে সেক্স লাইফ হয় অনেক বেশি স্পাইসি এবং ফ্রেশ। তাই বলতেই হাসির উদ্রেক হবে – নয় বছর পর বিবাহিত জুটির মধ্যে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সেক্স লাইফকে ছেড়ে দিন, গান-বাজনা, পজিশন বদলানো – সব মিলিয়ে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় ২০% বেশি সম্ভাবনায় অর্গাজম পান!








নারীদের অর্গাজমের জন্য সেরা পজিশন




যতই বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা চিৎকার করুক, তথাপি মহিলাদের অর্গাজম নিয়ে অনেকেই কনফিউজড। তবে ডাক্তারদের মতে, কিছু পজিশনে নারীদের ত্বরিত সত্তা পাওয়া যায়। সাধারণত, পেছন থেকে অনুপ্রবেশ (ডগি স্টাইল) অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক: পেছন থেকে কামড়ালে মহিলা নিজে নিজের গা ফুলিয়ে রাখতে পারে, এবং এই অবস্থায় কোমর একটু ভিন্ন ভাবে বাঁকিয়ে রাখলে G-বিন্দুতে স্পর্শ সহজ হয়।








হিপের নিচে বালিশ রেখে রাখুন একটু উঁচু করে – দেখি পুরুষের পেনিস আর গা দুইজনের মধ্যার অতিক্রান্ত পথে কতদূর এসে ঠেকে! অন্যদিকে মহিলা উপরে (কউগার বা reverse cowgirl) পজিশনে থাকলে বৌদি নিজে তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তার মানে, পছন্দ মত যেকোন অ্যাংগেলে মুভ করে নিজের ক্লিটোরিস ও ভেতরের দিকে স্পন্দন বাড়িয়ে তোলার সুযোগ চলে আসে। আর কথা বাদ দিয়ে এক্সপ্লোর করতে করতে এতি আপনার মনের অভ্রান্ত যোগসূত্র গড়ে তুলুন, কারণ মহিলাদের মাত্র ৩৫% খালি পেনেট্রেটিভ সেক্সেই তৎক্ষণাত অর্গাজম পায় – বাকি ৮০% মেয়েদের জন্য clit স্টিমুলে

শন বা উত্তেজনার সংমিশ্রণ জরুরি।


ক্লিটোরিস তো থাকেই, আর একটি উপায় হল অর্গাজমের ‘গোল্ডেন ট্রিও’: হালকা ঠোঁটের আছাঁছাঁ, ওরাল সেক্সের চুম্বন আর ভালো কিচিং। তবে সোজাসাপ্টা বলতে, শরীর খুলে দিয়ে একে অপরকে খুঁড়তে হবে ভালো করে। পজিশন পাল্টালে শরীরের অন্য কোনো অংশও খাঁটিয়ে মিলে যায়, যা পুরনো পজিশনের একঘেয়েমি ভেঙে নতুন আনন্দ এনে দেয়। তাই যখন মন চায় তাড়াতাড়ি মেয়ে orgasম করতে, তখন হয়তো আপনার উল্টো পেছন থেকে চাপুন (ডগি) বা মেয়েকে উপরে বসিয়ে দিন, আর হাত দিয়ে খানিকটা ক্লিটোরাল সঙ্গতিতে থাকতে হবে।








দ্রুত গর্ভধারণের জন্য সঠিক পজিশন




গর্ভধারণের নেপথ্যে অনেক গল্প-কিস্সা রয়েছে, তবে বৈজ্ঞানিক হিসাবে কোনো সুনির্দিষ্ট “ম্যাজিক পজিশন” নেই। ব্রিটিশ দাদার মত প্রচলিত কিংবদন্তি যেমন যৌনান্তে ভিড়িয়ে গুটিকয়েক ঘন্টা শুয়ে থাকতে বলে, সেটা এখনও প্রমাণ হয়নি। এ ব্যাপারে গবেষণা বলছে, মিশনারি বা ডগি-স্টাইলে গভীর অনুপ্রবেশ হতে পারে, কিন্তু এর সাথে সরাসরি গর্ভধারণের হার বাড়ার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আপসাক থিওরি নামক একটি তত্ত্ব আছে, যেখানে ধরা হয় নারীর অর্গাজমের সময় সিস্টেমিক সংকোচন স্রোতকে গর্ভনালিকে টেনে নিয়ে যায়। মানে, যৌন সঙ্গমে যদি মহিলাদের সঙ্গেও সময়মতো অর্গাজম হয়, তাহলে আদতে শুক্রাণুগুলোকে একটু সাহায্য হতে পারে – গবেষণায় দেখা গেছে, যদি নারী অর্গাজম পান যৌথ মিলনের আগেই বা একই সময়ে, তাহলে স্রোত অনেকক্ষণ ধরে থাকে।








তবে আসল কথা: “সময়” মাস্ট! যেকোন পজিশনে সেক্স করুন, যদি সেটা আপনার মেসাজ ভাল হয় এবং আপনি সঠিক সময়ে ফার্টাইল উইন্ডোর মধ্যে মিলন করেন। অর্থাৎ মাসিকের ৩-৫ দিন আগে বা ওপডিউলেশনের দিন তখনই প্রকৃত প্রজননশক্তি কাজ করে। বালিশের উপরে ২ মিনিট শুয়ে কিচি-কিচি করার চেয়ে, ওই “ক্ষতিকালে” নিয়ম করে লেবার করুন – ফলাফলে সন্তুষ্টি পাবেন নিশ্চিত!








ছোট পেনিসের জন্য বিশেষ পজিশন




ভাইবোনেদের বলি, পেনিস সাইজ কোনো ব্যাপার না যতদূর পর্যন্ত আপনি সঙ্গির সাথে খোলা মন নিয়ে চান! কিন্তু কিছু পজিশন সত্যি কাজে আসে পেনিস ছোট হলে। প্রাথমিক পরামর্শগুলো নিম্নরূপ:








(উল্টো): গতানুগতিক হিসেবে এটি অন্যতম জনপ্রিয়। এতে পেছন থেকে গভীর অনুপ্রবেশ পাওয়া যায় এবং ছোট পেনিসও ভালো ভাবে স্পর্শ করতে পারে। গবেষকরা বলছেন, উল্টো-স্টাইলে পেছন থেকে লাথি মেরে ঢুকলে পেনিস উপরের দিকের মানে অনুপ্রবেশের দিকটা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ হয়। সঙ্গীর কোমরে বা পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পেছ

নের অ্যাঙ্গেল আর নিবিড় করতে পারেন।



উল্টো কউগার (মহিলা উপরে): মেয়েটা উপরে বসলে সে নিজেই স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে নিতে পারে। অর্থাৎ পছন্দ মত থোড়া তীব্র করে ঘুরে ঘুরে ঢুকতে পারে, যদিও পেনিস ছোটটাও অধিক আকর্ষণীয় খুঁটে দিতে পারে। এছাড়া কব্জি পজিশনেও আপনি আঙ্গুল বা হ্যান্ডফিডার দিয়ে একটু কিচ্ছু সঙ্গীকে কাজে সাহায্য করতে পারেন।








মিশনারি (পিলো সহ): ক্লাসিক মিশনারি পজিশনে যদি একটু বোরিং মনে হয়, তাহলে মহিলার নিতম্বের নিচে একটি বালিশ রাখুন – এতে হিপ একটু উপরে উঠে যাবে, এবং অনুপ্রবেশ আরও গভীর হবে। এই টিপস খুব ভিন্ন অভিজ্ঞতা আনতে পারে: গবেষণা বলছে, হিপের নিচে ১৫-২০ ডিগ্রি এঙ্গেল দিলে G-বিন্দুতে স্পর্শ করতে সুবিধা হয়।








স্পুনিং (প্রতিবাহিত আসন): বডি আসনে আরও intimate কিছু করতে চাইলে, পাশাপাশিভাবে শুয়ে ধূমপানভরা গল্প করতে পারেন। এতে পরস্পরের শরীরের গা জোড়া লাগবে আর গভীর অনুপ্রবেশ সম্ভব হবে না, তবে ছোট পেনিসের ক্ষেত্রেও অকপটে মিলনের হ্যান্ডেল পাওয়া যায়।








এই পজিশনগুলো ট্রাই করে দেখবেন সঙ্গীর মুখের হাসিতেও বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসতে পারে। আর পাশপাশি যদি একটু হালকা ঝাঁকুনি আনতে চান, পেছন বা কোমরের নিচে ব্যাস বালিশ ঢুকিয়ে বেশি গভীরতার প্ল্যান করে ফেলুন – গবেষকদের পরামর্শ মতে পিলো দিয়ে হিপ তুলে রাখা “খুবই কার্যকর”!








বয়সে বা ফিজিক্যাল দুর্বলতার জন্য উপযোগী পজিশন




বয়েস যেমন বাড়ে, শরীরের চামচে চর্বি জমতে থাকে, তেমনই যৌন চর্চায়ও একটু শান্তিপূর্ণ পজিশন দরকার। যৌন চিকিৎসকেরা বলে, বয়স্ক জোড়াদের জন্য পিঠে শুয়ে কোমর উঁচু করে রাখা স্বস্তির কারণ – এতে যৌনাঙ্গগুলো সহজে একে অপরকে স্পর্শ করতে পারে। একটা উদাহরণ: বাবু-দিদি দুজনে পাশাপাশি শুয়ে হাত জড়িয়ে ধরে, এবং পেছন দিকে কোমরে ছোট বালিশ বা লাঙ্গল রেখে দিলে, ঢোকার এঙ্গেল আর সারা শরীরেই চাপ লাগে না।








আরেকটি উপযোগী পজিশন হলো সহায়িত উল্টো স্টাইল। এ ক্ষেত্রে যিনি ঢুকবেন, তিনি অল্পস্বল্প হাঁটু খুলে সামনে গিয়ে আর পিছনের পায়ের ভাগে হাত রেখে সামান্য সামলে নিন; এভাবে পেট তুলে থেকে পেছন দিতে থাকুন। এতে শরীর দুইজনের ওপর চাপ কমে যায়। এছাড়া বুকে বালিশ বা কুশন দিয়ে সামান্য শিথিল হওয়ার চেষ্ঠা করতে পারেন। এক কথায়, “মাঝি পাওয়ার জন্য নয়, মধুর স্মৃতির জন্য ওই বালিশ” – কারন আপনার যৌনাঙ্গ ঠিক যেমন একটি গাড়ি, সুপারস্পোর্ট মেশিন নয় আর লেকচার হলে ঘুমের সরীসৃপ।








অনেক ক্ষেত্রে পাশের দিকে শোয়া (স্পুনিং) বয়স্ক দম্পতিদের জন্য আরামদায়ক হয়। এতে বেশি গতি লাগানোর দরকার পড়ে না, কম পেশীকশরীরের চাপ দিয়ে মাতাল মুহূর্ত কাটে। পাশাপাশি, স্পুনিংয়ে চোখের দেখা, চুম্বন, আলতো আলতো আদায়ের ব্যাপারটা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি “বয়স্কতার স্বাদ” নেয়া ভালো লাগার প্রথম পদক্ষেপ হল, নিজেকে আরামদায়ক একটি পজিশন দিন।








নোট: যদি কোমর বা হাঁটুতে অধিক ব্যথা থাকে, তাহলে উচ্চমাত্রার wedge pillow-এর কথা মাথায় রাখতে পারেন। গবেষকরা বলছেন, বালিশের আঙুল চোখের মত প্রয়োজন—শরীরকে সঠিকভাবে সমর্থন দিলে ব্যথা দূর হয়। Sex Style Pillow-র মতো wedge pillow আজকাল বাজারে পেয়েঝায়, যা ভাল করে শ

রীরকে cradle করে দেয় এবং কোমর-কাঁধের শরীর ভঙ্গিমা ঠিক রাখে।


বিঃদ্রঃ যারা গোপন রোগে ভুগছেন তাদের বলছি। অনেক চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হতে পারেননি? আপনাদের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে বনাজি গাছগাছালির মাধ্যমে গবেষণা ভিত্তিক যৌন রোগের ওষধ তৈরি করে আসছি। আমরা একই ওষধ সবাইকে দেইনা। প্রতিটা রোগীর রোগ ও বয়স অনুপাতে ওষধ তৈরি করে দেই। তাই রোগ ও বয়স অনুপাতে দামের ভিন্নতা থাকে তাই আপনার সমস্যার কথা ফোন করে খুলে বলুন তারপর আমি সমাধান ও দাম নিয়ে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ 01733164992 ইমু ও হোয়াইটআ্যাপ রয়েছে। এছাড়া আইডি ভিজিট করুন সেখানে যৌন রোগের ওষধ সম্পর্কে জানতে পারবেন। 




বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় থেকে অর্ডার করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। সম্পূর্ন হোম ডেলিভারিতে পৌঁছে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। 








বিঃদ্রঃ মেসেঞ্জারে নক দিবেন না





Comments

Popular posts from this blog

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স'হবা'স করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান কি জেনে নিন ...

 স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে সহবাস করা যাবে? ইসালামের স্পষ্ট বিধান ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিবান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো। ইসলামের মৌলিক বিধান ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (বাভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ। কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা "আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংয়ত রাখে- শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে - সূরা আल-सुमितून (२०८-०) এই অপ্রয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম? বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি। মাহরাম নারী-মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, नातिः পরকীয়া সম্পর্কের নারী। বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাগী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রয...

ঢাকা-১৫ আসনে প্রার্থী ও জামায়াতে আমিরের রেজাল্ট জেনে নিন ...see more ,

 নিজ কেন্দ্রেই হারলেন ঢাকা-১৫ আসনে প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খানের কাছে মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াত আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ১৪৭ জন। এর আগে আজ সকাল ৭টা থেকে সারা দেশে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদি ন গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। 🎁 Your Special Offer is Loading... Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown. 10s ⏳ Stay here — your offer will open in a new page. ✅ Redirect happens only once per session.

রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে, আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানা গেল...

 রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে, আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানা গেল   রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে, আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানা গেলসংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশে রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে চলতি বছর রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হতে পারে এবং ঈদুল ফিতর শুক্রবার উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোরে রাজধানী আবুধাবিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদটি দেখা যায়। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি-র সদস্য তামিম আল তামিমি রমজানের ২৮তম দিনে (১৪৪৭ হিজরি) ভোর ৬টার দিকে আমিরাতের আকাশে এই চাঁদের ছবি ধারণ করেন। খবর গালফ নিউজের।জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, এ বছর রমজান পূর্ণ ৩০ দিন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেই হিসেবে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে, যা শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে, সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ১৮ মার্চ বুধবার নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে পরদিন থেকেই নতুন চন্দ্রমাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। সর্বশেষ চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই ঈদের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট...