পার্সী গ্রাফিতে আসক্তি মানসিক, শারীরিক, এবং সামাজিক জীবনের মারাত্মক ক্ষতি করে। এটি মস্তিস্কে ডোপামিনের ভারসাম্য নাই করে, বাস্তুৰ যৌন জীবনে অনাগ্রা ও সম্পর্কের অবনতি ঘটায় [১, ২.৬]। এর ফলে মানসিক চাপ, অবসাদ, একাকিত্ব, ও আত্মবিশ্বাসের অভাব তৈরি হয় [০, ১২]। এছাড়া, এটি যৌন বিকৃতি, মিথ্যা বলার প্রবণতা, কাজের ক্ষতি এবং পারিবারিক ভাঙনের কারণ হতে পারে [২, ৫, ১০, ১৪]।
পর্নোগ্রাফি আসক্তির প্রধান ক্ষতিকর দিকসমূহঃ
মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি: মাত্রাতিরিক্ত পর্ন দেখার ফলে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, রাগ, এবং একাকিত্বের মতো সমস্যাগুলো তৈরি হয় (১,৩]।
বাস্তব সম্পর্কের অবনতি: এটি নিজের সাঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে দেয় এবং বাস্তব যৌন জীবনের সাথে কল্পনার দিন না পাওয়ায় সম্পর্কে ভাঙ্গন বা ডিভোর্স পর্যন্ত হতে পারে (২, ১৫)।
যৌন বিকৃতি ও অকার্যকারিতা: আসক্ত ব্যক্তি উগ্র বা অস্বাভাবিক যৌন মুখ্য দেখে তৃপ্ত হতে শুরু করে, যা বাস্তব জীবনে যৌন সক্ষমতা বা পুরুষত্বহীনতার ঝুঁকি বাতায় [২:১৫]।
মস্তিষ্কের ক্ষতি: গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা পর্নো দেখার ফলে মস্তিষ্কের ডোপামিন সিস্টেম ড্রাগ আসক্তির মতো আচরণ করে, যা সামান্যত্রেই উত্তেজনা কমে যাওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করে [৬৭]।
পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয় এটি সময় অপচয় করায় কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ কমে যায়, মিথ্যা বলার প্রবণতা বাড়ে এবং সমাজজীবনে ইভটিজিং বা ধর্ষণের মতো অপরাধমূলক মানসিকতা তৈরি হতে পারে [৫, ১৪, ১৫)।
পর্ন আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়।
পর্নোগ্রাফি আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে নিজেকে অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে, ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় সচেতন হতে হবে প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিতে হবে [১, ৮]।
সতর্কতা যদি আসক্তি অনেক বেশি হয়, তবে দেরি না করে মনোবিজ্ঞায়ির পরামর্শ तिल।

Comments
Post a Comment