যে ৪ ধরনের যৌ'ন মিলন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ
সহবাসের স্বাভাবিক পদ্মা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অতান্ত সুক্ষভাবে ইসিত করা হয়েছে আল কুরআনে।
আয়াতের অর্থ হলোঃ 'যখন স্বামী-স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ত সঞ্চার হয়ে গেলো।
আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকার তখনই ঝামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর নারীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পদ্মাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গর্ভধারণের বদনোও তা উপকারী ও সহায়ক।
বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার আমর প্রশ্ন কানুন' নামক বইয়ে এই পদ্মাকেই সর্বোত্তম পদ্মা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং 'স্বাধী নিচে আর স্ত্রী উপরে' থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।
বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অময় গ্রন্থ 'কানুন' নামক নইয়ে এই পদ্মাকেই সর্বোত্তম পদ্মা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে থাকার পদ্মাকে নিকৃষ্ট পদ্মা বলেছেন।
স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিয়ে পড়লে গর্ড সঞ্চার হয় না। সহবাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে কথরের নামাজ আদায় করে নিবেন

Comments
Post a Comment