কলম্বিয়ায় উড্ডয়নের পর সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩৪
কলম্বিয়ার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি কার্গো পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৪ মার্চ) কলম্বিয়ার পুতোমায়ো বিভাগের পুয়ের্তো লেগুইজামো শহরের কাছে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা। বিমানটিতে মোট ১২৫ জন যাত্রী ছিলেন।
পুয়ের্তো লেগুইজামো শহরের মেয়র লুইস এমিলিও বুস্টোস স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আমরা এ পর্যন্ত ৩৪ জন নিহতের খবর সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’
বিজ্ঞাপন
পুতোমায়ো বিভাগের গভর্নর জন গ্যাব্রিয়েল মোলিনা পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়ে নিহত ৩৪ জনের মধ্যে ২১ জনের মরদেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
কলম্বিয়ার সামরিক বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি থেকে জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত ৪৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৮০ জন।
বিজ্ঞাপন
বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটি ছিল মার্কিন সমরাস্ত্র ও যুদ্ধযান নির্মাতা কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি একটি হারকিউলিস সি-১৩০ বিমান। কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর মাত্র দেড় কিলোমিটার উচ্চতায় থাকা অবস্থাতে বিধ্বস্ত হয়ে ভূমিতে আছড়ে পড়ে বিমানটি।
বিজ্ঞাপন
এক্সবার্তায় কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, বিমানটি কোনো প্রকার হামলার শিকার হয়নি এবং সেটির চালকরা যথেষ্ট দক্ষ ও অভিজ্ঞ ছিলেন।
কী ঘটেছে
২৩ মার্চ ২০২৬, Colombia-তে একটি সামরিক পরিবহন বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিধ্বস্ত হয়।
বিমানটিতে মোট ১২৫ জন (সৈন্য ও ক্রু) ছিলেন।
দুর্ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণাঞ্চলের জঙ্গলের কাছে, বিমানবন্দর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে।
নিহত ও আহতের সংখ্যা (সর্বশেষ)
প্রথমদিকে ৩৪ জন নিহত বলা হয়েছিল।
পরে উদ্ধারকাজ চলার সময় মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬৬ জন হয়েছে।
অনেকেই আহত হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
দুর্ঘটনার কারণ
এখনো নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হয়নি।
প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা অন্য কোনো সমস্যা ছিল কিনা — তা তদন্ত করা হচ্ছে।
সূত্র: এএফপি
আরটিভি/এমএ

Comments
Post a Comment