স্ত্রী বাদে কার সাথে সহবাস করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান
ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো।
ইসলামের মৌলিক বিবান
ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাংবই অনুমোদিত। স্ত্রী গুড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যি-না (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা
"আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থার সংযত রাখে-
শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে..."
-সূরা আল-মুমিনুন (২০:৫-৬)
এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেরল স্ত্রী পর্যন্ত সীমারম্ভ।
কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি।
মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, সাদি, নানি
পরকীয়া সম্পর্কের নারী
বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ
ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত নার্জী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
ইসলামে স্ত্রী ছাড়া কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক নুঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে।
ইসলামি জীবনব্যবস্থা ও শরিয়ত বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment